নিজের ভুল স্বীকার করে ঘটনাটি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন মুশফিক

বুক ভরা আশা আর অসীমকে ছোঁয়ার লক্ষ্য নিয়ে ইংল্যান্ডে রওয়ানা হয়েছিল মাশরাফিবাহিনী। প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল, একদম প্রত্যাশামাফিক । কিন্তু মাঝ পথে আসার পর যেন কোনো এক কালো ছায়া বাংলাদেশের পা

টেনে ধরে । ধীরে ধীরে কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় সামনে এগোনোর পর । ছোট ছোট ভুলের কারণে সেমিফাইনালের স্বপ্নকে মাটি চাপা দিয়ে অষ্টম স্থান নিয়ে দেশে ফিরতে হয় টাইগারদের ।

গোটা বিশ্বকাপেই একের পর এক মিস ফিল্ডিং করেছিল বাংলাদেশ । এর মধ্যে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মুশফিকের মিস ফিল্ডিংটা ছিল সবচেয়ে হতাশাজনক । ঐ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাকিব আল হাসানের করা ১২তম ওভারে মিডঅন থেকে তামিম থ্রো করলেন কেন উইলিয়ামসনকে রানআউট করার লক্ষ্যে। মুশফিক চাইলেন বলটি ধরে নিজ প্রচেষ্টায় আউট করতে৷ তবে দুর্ভাগ্যবশত তাঁর হাতের কনুই লেগে আগেই বেল জ্বলে উঠে। আর তারপর স্টাম্প উঠিয়ে আপিলের যে সুযোগ ছিল, তাও তিনি কাজে লাগাননি ৷ যদি স্টাম্পের পেছনে থেকেই বল ধরতেন, কনুইয়ের স্পর্শে আগেই বেল পড়ত না। আগেই বেল পড়ে যাওয়ায় উইলিয়ামসনের রানআউট হাতছাড়া করেছিল বাংলাদেশে! কিউই অধিনায়ক রানআউট হলে ম্যাচের গল্পটা হয়তো অন্য রকম হতে পারত।

এ প্রসঙ্গে বিশ্বকাপের পর লম্বা সময় কিছু না বললেও সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় দৈনিককের সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেন মুশফিক । মুশফিক নিজের ভুল স্বীকার করে ঘটনাটি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। এছাড়াও আরো কিছু বিষয় উল্লেখ করেন, যেগুলো ঠিকমতো হলে ম্যাচের ফলটা ভিন্ন আসতো।

মুশফিক বলেন, ‘খারাপ লাগাটাই স্বাভাবিক। ক্রুয়েশিয়াল একটা মোমেন্ট ছিল। কেন উইলিয়ামসন নিউজিল্যান্ডের অন্যতম সেরা একজন ব্যাটসম্যান। সে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করছিল। অনেকেই হয়তো ভেবেছে, ওই রানআউট হয়ে গেলে আমরা জিতে যেতাম। কিন্তু ওই রানআউট হওয়ার পর টম ল্যাথাম বা অন্য কেউ এসে ফিফটি রানের জুটি করলেই হয়ে যেত। তবে আমরা খুব কাছে গিয়ে হেরে গেছি। অবশ্যই ওই রানআউট করা গেলে ম্যাচটা আরও ক্লোজ হতে পারত। যেমন তামিম রোহিত শর্মার ক্যাচ ফেলায় অনেকে বলেছে, ক্যাচটা নিতে পারলে ভারতের বিপক্ষে জিতে যেতাম।

(Visited 22 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *